মিউজিক্যাল নোট এবং ফ্রিকোয়েন্সির গাণিতিক সম্পর্ক
শব্দবিজ্ঞানে প্রতিটি মিউজিক্যাল নোটের পেছনে একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি কাজ করে, যা হার্টজ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়। আধুনিক পাশ্চাত্য ও বিশ্ব সংগীতে বহুল ব্যবহৃত সুর বিন্যাস পদ্ধতি হলো ১২-টোন ইকুয়াল টেম্পারামেন্ট (12-Tone Equal Temperament)। এই পদ্ধতিতে একটি অক্টেভকে ১২টি সমান সেমিটোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ধাপের ফ্রিকোয়েন্সি তার আগের ধাপের তুলনায় গুণ বা প্রায় ১.০৫৯ গুণ বৃদ্ধি পায়।
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী A4 নোটটিকে ৪৪০ Hz রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ডিজিটাল অডিও ও মিউজিক প্রোডাকশনে প্রতিটি নোটকে একটি নির্দিষ্ট MIDI নাম্বার দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যেখানে A4 নোটের MIDI ইনডেক্স হলো ৬৯। যেকোনো MIDI নাম্বার -এর ফ্রিকোয়েন্সি বের করার গাণিতিক সূত্রটি হলো:
এই সূত্রের ওপর ভিত্তি করে একটি অক্টেভ উপরে গেলে ফ্রিকোয়েন্সি দ্বিগুণ হয় এবং এক অক্টেভ নিচে নামলে ফ্রিকোয়েন্সি অর্ধেক হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, A4 যদি ৪৪০ Hz হয়, তবে এক অক্টেভ উপরের A5 হবে ৮৮০ Hz এবং এক অক্টেভ নিচের A3 হবে ২২০ Hz। নোট ফ্রিকোয়েন্সি ক্যালকুলেটর এই গাণিতিক সূত্র ব্যবহার করে নোট এবং ফ্রিকোয়েন্সির মধ্যে তাৎক্ষণিক রূপান্তর সম্পন্ন করে।