অডিও ফাইলে মেমরি খরচের মূল উপাদানসমূহ
ডিজিটাল অডিও ফাইলের আকার মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে: স্যাম্পল রেট (Sample Rate), বিট ডেপথ (Bit Depth) এবং চ্যানেল সংখ্যা (Channels)। এনকোডিং বা কম্প্রেশন ছাড়া আনকম্প্রেসড পিসিএম (WAV অথবা AIFF) ফরম্যাটে রেকর্ড করার সময় এই উপাদানগুলো সরাসরি ফাইলের মোট বাইট নির্ধারণ করে।
স্যাম্পল রেট বলতে বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে অ্যানালগ অডিও সিগন্যালের কতটি ডিজিটাল স্ন্যাপশট নেওয়া হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ৪৪.১ kHz স্যাম্পল রেটের অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৪৪,১০০ বার সিগন্যাল মাপা হয়। বিট ডেপথ নির্ধারণ করে প্রতিটি স্ন্যাপশটের নিখুঁত পরিমাপ বা ডায়নামিক রেঞ্জ। ১৬-বিট অডিওতে প্রতি স্যাম্পলে ১৬ বিট তথ্য থাকে, যেখানে ২৪-বিট অডিও অনেক বেশি সূক্ষ্ম ডায়নামিক রেঞ্জ ধারণ করে। চ্যানেল সংখ্যা পুরো ডেটাকে গুণ করে; একটি মনো ট্র্যাকের তুলনায় একই সেটিংসের স্টেরিও ট্র্যাক দ্বিগুণ মেমরি খরচ করে।
একটি আনকম্প্রেসড অডিও ফাইলের মোট মেমরি আকার বের করার গাণিতিক সূত্রটি হলো:
একইভাবে, প্রতি সেকেন্ডে ডেটা প্রবাহের গতি বা বিটরেট নির্ণয়ের সূত্র:
ব্রাউজারভিত্তিক অডিও ফাইল সাইজ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে আপনি কোনো ফাইল রেন্ডার করার আগেই এর আনুমানিক স্টোরেজ চাহিদা সহজে হিসেব করতে পারেন।